Header Ads Widget

Responsive Advertisement

ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগবে ?


ই-পাসপোর্ট করতে  কি কি লাগবে ? 

লাস্ট আপডেট ৪ মে ২০২৫ 

ই-পাসপোর্ট করতে যা যা লাগবে - নিম্নে দেয়া হলো ; 

👉১। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করা যাবে।
👉। ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না।
👉। ই-পাসপোর্ট ফরমে কোন ছবি সংযোজন এবং তা সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।
👉। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র  ( এন আই ডি ) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ( বি আর সি ইংলিশ ভার্সন ) অনুযায়ী আবেদন পত্র পূরণ করতে হবে।
👉। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী যার জাতীয় পরিচয়পত্র ( এন আই ডি ) নাই, তার পিতা অথবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র  ( এন আই ডি ) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
👉। জাতীয় ‍পরিচয়পত্র ( এন আই ডি ) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ( বি আর সি ইংলিশ ভার্সন ) নিম্নোক্ত বয়স অনুসারে দাখিল করতে হবে-
👉() ১৮ বছরের নিম্নে হলে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ( বি আর সি ইংলিশ ভার্সন ).
👉() ১৮-২০ বছর হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (এন আই ডি) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ( বি আর সি ইংলিশ ভার্সন
👉() ২০ বছরের উর্ধে হলে জাতীয় ‍পরিচয়পত্র (এন আই ডি) আবশ্যক । তবে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ( বি আর সি ইংলিশ ভার্সন ) গ্রহণযোগ্য হবে।
৭। তারকা চিহ্নিত ক্রমিক নম্বরগুলো অবশ্যই পূরণীয়।
👉। দত্তক/অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের আবেদনের সাথে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত আদেশ দাখিল করতে হবে।
👉। আবেদন বর্তমান ঠিকানা সংশ্লিষ্ঠ বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস/আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস/বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনে দাখিল করতে হবে।
👉১০ ১৮ বছরের নিম্নের সকল আবেদনে ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ০৫ বছর এবং ৪৮ পৃষ্ঠার।
👉১১। প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল সনদসমূহ (যেমন: ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) আপলোড/সংযোজন করতে হবে।
👉১২। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও ( জিও )/অনাপত্তি (এন ও সি )/ প্রত্যয়নপত্র/ অবসরোত্তর ছুটির আদেশ ( পি আর এল অর্ডার )/ পেনশন বই আপলোড/সংযোজন করতে হবে যা ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিজ নিজ ওয়েবসাইট এ আপলোড থাকতে হবে। 
👉১৩। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাহ সনদ/নিকাহনামা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা দাখিল করতে হবে।
👉১৪। দেশের অভ্যন্তরে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফি এর উপর নির্ধারিত হারে ভ্যাট ( ভ্যাট ) সহ অন্যান্য চার্জ (যদি থাকে) অতিরিক্ত হিসাবে প্রদেয় হবে। বিদেশে আবেদনের ক্ষেত্রেও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি প্রদেয় হবে।
👉১৫। কূটনৈতিক পাসপোর্টের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও ওয়েলফেয়ার উইং ( কন্সুলার এবং ওয়েল ফ্যায়ার ঊইং ) অথবা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় বরাবর আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।
👉১৬। বৈদেশিক মিশন হতে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে স্থায়ী ঠিকানার কলামে বাংলাদেশের যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
👉১৭। অতি জরুরী পাসপোর্টের আবেদনের ক্ষেত্রে (নতুন ইস্যু) নিজ উদ্যোগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ সংগ্রহ পূর্বক আবশ্যিকভাবে আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।
👉১৮। (ক) দেশের অভ্যন্তরে অতি জরুরী পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।
👉() দেশের অভ্যন্তরে জরুরী পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।
👉() দেশের অভ্যন্তরে রেগুলার পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।
👉১৯। আবেদনের সময় মূল জাতীয় ‍পরিচয়পত্র ( এন আই ডি ),অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ( বি আর সি ইংলিশ ভার্সন ) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সনদ, সরকারি আদেশ  ( জিও )/অনাপত্তি ( এন ও সি ) প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।
👉২০। পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে মূল পাসপোর্ট প্রদর্শন করতে হবে।
👉২১। হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে মূল জিডির কপি প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে। পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে অথবা চুরি হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জিডি করতে হবে। পুনরায় পাসপোর্টের জন্য আবেদনের সময় পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি
       এবং জিডি কপিসহ আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে ।
👉২২০৬ বছর বয়সের নিম্নের আবেদনের ক্ষেত্রে ( থ্রী আর সাইজ ) সাইজের ( ল্যাব প্রিন্ট গ্রে ব্যাকগ্রউন্ড ) ছবি দাখিল করতে হবে।


বাংলাদেশ ই‑পাসপোর্ট আবেদন করতে একখানে ক্লিক করুন

 

Post a Comment

0 Comments